ধ্বংস হোক শয়তান #সন্ত্রাসী_আমেরিকা_ইজরাইল , #সন্ত্রাসী_যুক্তরাস্ট্র_ইজরাইল এর উপর বেশী করে আক্রমণ করে ধ্বংস করে দিতে হবে
ধ্বংস হোক শয়তান #সন্ত্রাসী_আমেরিকা_ইজরাইল , #সন্ত্রাসী_যুক্তরাস্ট্র_ইজরাইল এর উপর বেশী করে আক্রমণ করে ধ্বংস করে দিতে হবে
ইহুদি নাসারাদের পাচাটা গোলাম এরা। 👹😈
নিজেদের ফায়দার জন্য মুসলিম উম্মাহ কে ধ্বংস করে দিয়েছে এই মুনাফিকরা। ফিলিস্তিনের কফিনে শেষ পেরেকও ঠুকে দিল এই দালালরা। এই যুগের সাদেদ্দিন কোপেক আর আলবাস্তি। 😡😠
মুসলিম বিশ্বে বর্তমানে আরতুগ্রুল গাজির মতো একজন মহান যুদ্ধা এবং সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ খানের মতো একজন অভিভাবক দরকার।।
ایا ته پوهیږې؟ څنګه د فلسطین معصوم ماشومان وژنی؟ !
Do you know? How are you killing the innocent children of Palestine? !
https://t.me/BangalaMedia/5
ইজ্জুদ্দিন আল কাসসাম হানাফী রহ.
Izz ad-Din al-Qassam
ইনি হলেন সেই মহান ব্যক্তি, যার নাম অনুকরণে হ|ম|সের সামরিক শাখার নামকরণ করা হয়ছে "কাতাইবুল কাসসাম" (আল কাসসাম ব্রিগেড)।
তিনি হলেন ইজ্জুদ্দিন আল কাসসাম হানাফী রহ.। যিনি ফিলিস্তিনের বুকে জিহাদের বীজ বপন করেছিলেন। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন।
২০ নভেম্বর ১৯৩৫ সালদ, তিনি ফিলিস্তিনের জেনিন অঞ্চলে ব্রিটিশদের হামলায় শাহাদাত বরণ করেন।
*রহিমাহুল্লাহ।*
তার মৃত্যুর পরই মূলত পুরো ফিলিস্তিন ব্যাপি জিহাদের আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
এইজন্য উসমানী খিলাফাহ পতনের পর তাকেই ধরা হয় স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনিদের পথপ্রদর্শক এবং স্বপ্নপুরুষ
*** স্বয়ং প্রযুক্তির জনকেরাই নিজ সন্তানদের মোবাইল-আইপ্যাড ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ !!!
** বিল গেটস এবং স্টিভ জবস যারা নিজেরাই আধুনিক দুনিয়ার মোবাইল ও কম্পিউটার প্রযুক্তির গুরু তাদের বানানো প্রযুক্তির মধ্যে সারা দুনিয়ার শিশুকিশোর বুঁদ হয়ে আছে, কিন্তু তাদের সন্তানদের অবস্থা কি ?
মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস প্রযুক্তির ওপর ভর করেই বিশ্বের সেরা ধনী ব্যক্তি হয়েছিলেন। তবে তিনি এতকিছুর পরেও তার সন্তানদের প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলেন। একই ধরনের বিষয় দেখা যায় অ্যাপলের প্রয়াত সিইও স্টিভ জবসের ক্ষেত্রেও। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।
বিল গেটস সম্প্রতি জানিয়েছেন, সন্তানদের বয়স ১৪ বছর হওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেননি।
বিল গেটস এ প্রসঙ্গে বলেছেন, বয়ঃসন্ধির বয়সে বাচ্চারা সেলফোনের জন্য তাদের কাছে জেদ করতো। কিন্তু তিনি এবং স্ত্রী মেলিন্ডা ১৪ বছর বয়সের আগে পর্যন্ত তাদের অভিযোগে কান নেননি।
বাড়িতে গ্যাজেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিজেরাও কিছু নিয়ম মেনে চলছেন, এসব ডিভাইস ব্যবহারের সীমা কতদূর হওয়া দরকার তা নির্ধারণ করার চেষ্টা করতেন।
গেটস বলেন, ‘আমরা মাঝে মাঝে তাদেরকে কতক্ষণ স্ক্রিনের সামনে থাকতে পারবে তার সময় বেঁধে দিতাম যাতে তারা সঠিক সময়ে যথেষ্ট ঘুমাতে পারে। ’
তিনি বলেন, ‘আপনি সবসময়ই এসব গেজেটের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাইবেন, যেমন, হোমওয়ার্ক করা বা বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রাখা। এবং অবশ্যই এটাও দেখবেন যেন তা অতিরিক্ত হয়ে না যায়। খাবার টেবিলে আমরা কখনোই সেলফোন নিতান না। এমনকি বাচ্চাদের বয়স ১৪ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সেলফোন দেয়া হয়নি, যদিও অন্যরা অনেক কম বয়সে এসব ব্যবহার করতে পারছে বলে অভিযোগ করত তারা। ’
এদিক দিয়ে বিল গেটসের সঙ্গে অ্যাপলের প্রয়াত সিইও স্টিভ জবসের প্রচুর মিল রয়েছে। ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে বিল গেটসের সাথে অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের অনেক বিরোধ ছিল। কিন্তু একটা জায়গায় তাদের মধ্যে এতোটা মিল এর আগে জানা যায়নি।
স্টিভ জবস এমনকি তার সন্তানদের আইপ্যাডও ব্যবহার করতে দেননি। আইপ্যাড বাজারে আসার পর বাচ্চারা এটা পছন্দ করেছে কি না এমন প্রশ্নে স্টিভ জবস বলেছিলেন, ‘না, ওরা এটা ব্যবহার করেনি। বাড়িতে বাচ্চারা কতটুকু প্রযুক্তি ব্যবহার করবে আমরা তার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছি। ’
ওয়াল্টার আইজ্যাকসন জবসের জীবনীতে লিখেছেন, প্রতি সন্ধ্যায়ই জবস তার রান্নাঘরের এক বিশাল লম্বা টেবিলে রাতের খাবারটা অর্থবহ করে তুলতেন বই, ইতিহাস এবং আরও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে। এই সময়টাতে কেউই কখনও আইফোন বা কম্পিউটার বের করত না। এসব ডিভাইসের প্রতি বাচ্চাদের মোটেও কোনও আসক্তি দেখা যায়নি।
#মোবাইল
#মোবাইল_ক্ষতিকর
#সন্তানদের_মোবাইল_আইপ্যাড_নিষেধ
#মোবাইলের_ক্ষতিকর_প্রভাব
সত্য, বাধাহীন স্পস্ট সঠিক তথ্য জানতে এই পেইজ ফলো করুন